মালয়েশিয়ায় বেড়েছে পাম অয়েলের মজুদ

মালয়েশিয়ায় ছয় মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো মার্চে পাম অয়েলের মজুদ বেড়েছে।

মালয়েশিয়ায় ছয় মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো মার্চে পাম অয়েলের মজুদ বেড়েছে। এ সময় উৎপাদন বৃদ্ধি পণ্যটির মজুদ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। শুক্রবার প্রকাশিত রয়টার্সের এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

জরিপে অংশ নেয়া নয়জন ব্যবসায়ী, কৃষক ও বিশ্লেষকের গড় পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্চে পাম অয়েলের মজুদ ৩ শতাংশ বেড়ে ১৫ লাখ ৬০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেশি। এদিকে টানা ছয় মাস কমার পর মার্চে মোট উৎপাদন ১০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১৩ লাখ ১০ হাজার টন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুম্বাইভিত্তিক ভোজ্যতেল ব্রোকারেজ সংস্থা সানভিন গ্রুপের গবেষণা প্রধান অনিলকুমার বাগানি বলেন, ‘মার্চে পাম অয়েল উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মজুদের ক্ষেত্রে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার হতে পারে।’

জরিপ অনুযায়ী, টানা চার মাস কমার পর মার্চে পাম অয়েলজাত পণ্যের রফতানি ২ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছতে পারে। তবে তিনি জানান, ভারত, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশের মতো প্রধান ক্রেতাদের কাছে চাহিদা আগের তুলনায় অনেক কমেছে। তাই রফতানি প্রবৃদ্ধি সীমিত।

এদিকে অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক বহাল রেখেছে মালয়েশিয়া। সম্প্রতি মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে মালয়েশিয়া এ সময় ভোজ্যতলেটির রেফারেন্স মূল্য বাড়িয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাম অয়েল রফতানিকারক দেশটি এপ্রিলের জন্য প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েলের রেফারেন্স মূল্য ৪ হাজার ৫৪৭ দশমিক ৭৯ রিঙ্গিত নির্ধারণ করেছে। মার্চে এ রেফারেন্স মূল্য ছিল টনপ্রতি ৪ হাজার ৩৯০ দশমিক ৩৭ রিঙ্গিত। রফতানি শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী, প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েলের জন্য ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ রিঙ্গিত মূল্যের সীমার মধ্যে শুল্ক হার ৩ শতাংশ থেকে শুরু হয়। তবে টনপ্রতি মূল্য ৪ হাজার ৫০ রিঙ্গিতের বেশি হলে সর্বোচ্চ শুল্ক হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

আরও